ফেসবুক থেকে নিজের পোস্ট অপসারণ নিয়ে যা বললেন আজহারি

বাংলাদেশ

এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক থেকে অপসারণ করা হয়েছে জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার ও বক্তা মিজানুর রহমান আজহারির স্ট্যাটাস। কারণ হিসেবে ফেসবুক বলছে আজহারির স্ট্যাটাস ‘হেইট স্পীচ অ্যান্ড ইনসাল্ট’ (হিংসাত্মক ও অপমানজনক বক্তব্য) হওয়ায় সেটা অপসারণ করা হয়েছে। বুধবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজ থেকে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আপলোডকৃত পোস্টটিতে মিজানুর রহমান আজহারি একই সাথে প্রশ্ন তুলেছেন নাস্তিকদের উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ইসলাম ও রাসুলুল্লাহ সা:-কে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও কার্টুন শেয়ার নিয়ে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা নিয়ে।
জার্নালের অনলাইনের পাঠকদের জন্য মিজানুর রহমান আজহারির ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘কয়েকদিন আগে আমার লেখা ‘‘ধর্মীয় স্বতন্ত্রতা, স্বকীয়তা ও পরিমিতিবোধ” শিরোনামের স্ট্যাটাসটি, ফেইসবুক অথোরিটি তাদের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডের ব্যত্যয় দেখিয়ে, আমার পেইজ থেকে রিমুভ করে দিয়েছে। স্ট্যাটাসটিতে কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি এবং কোন ব্যক্তি কিংবা ধর্মকেও এখানে হেয় করা হয়নি।

পোস্টটিতে কেবল ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সহাবস্থান বলতে কি বুঝায়, ধর্মীয় সম্প্রীতির সীমারেখা এবং মুসলিম হিসেবে আমাদের করণীয় সম্পর্কে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল। কিন্তু এটাকেও ফেইসবুক অথোরিটি “হেইট স্পীচ এন্ড ইনসাল্ট” হিসেবে ট্রিট করেছে। এভাবে চলতে থাকলে তো স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ, ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে কোন পরিস্থিতিকে বিশ্লেষণ কিংবা আমাদের করণীয় বর্জনীয় এর ব্যাপারে ভবিষ্যতে ফেইসবুকে কিছু লেখাও কঠিন হয়ে যাবে।

নাস্তিকদের পরিচালিত বিভিন্ন ফেইসবুক আইডি ও পেইজে, উদ্দেশ্যপ্রনোদিতভাবে ইসলাম ও রাসুলুল্লাহ (ﷺ‬) কে নিয়ে ইচ্ছামত হেইট স্পীচ, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং নানা ধরনের কার্টুন শেয়ার দেয়া হয়। আফসোস! সেগুলো ফেইসবুক অথোরিটির চোখে পড়ে কিনা জানি না। ফেইসবুকের উচিত তাদের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডটিকে প্রোপার জাস্টিফিকেশন এন্ড ইকুয়াল ট্রিটমেন্টের আলোকে পূনর্বিন্যাস করা।

যাইহোক, ফেইসবুক অথোরিটি আমার বক্তব্যকে মিস আন্ড্যারস্টোড করেছে জানিয়ে, আমি রিভিউর জন্য এ্যাপিল করেছি। দেখা যাক, ওয়াট দেই রিসপন্ড।’ উল্লেখ্য, গত ১৫ নভেম্বর মিজানুর রহমান আজহারি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজ থেকে ‘ধর্মীয় স্বতন্ত্রতা, স্বকীয়তা ও পরিমিতিবোধ’ শিরোনামে একটি লেখা পোস্ট করেছিলেন। সেখানে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সহাবস্থান বলতে কি বুঝায় এবং ধর্মীয় সম্প্রীতির সীমারেখা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল।