করোনার চেয়েও ধ্বংসাত্মক হতে পারে এএমআর, জানালেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনাভাইরাস মহামারির চেয়ে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) আরও ধ্বংসাত্মক হবে যা সঠিকভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলে খাদ্য সুরক্ষা এবং উন্নতির পাশাপাশি ভৌগলিক অবস্থানসহ প্রতিটি জীবকে বিপন্ন করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ মহামারিটি আমাদের সময়ের সংজ্ঞায়িত জনস্বাস্থ্য সংকট যা ইতোমধ্যে ৩০ লাখেরও বেশি লোকের জীবন নিয়েছে। তবে অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) আকারে আসন্ন মহামারীটি বিশ্বস্বাস্থ্যের আরও বেশি ক্ষতি সাধন করবে।

মঙ্গলবার ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে ‘অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স অন ওয়ান হেলথ গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপ’ এর প্রথম সভার উদ্বোধনী অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে ধারণকৃত ভাষণটি অনুষ্ঠানে সম্প্রচারিত হয়।

এতে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব নেতাদের সতর্ক করেন যে, অ্যান্টি ড্রাগ প্রতিরোধ কেবল মানব, প্রাণী এবং উদ্ভিদের স্বাস্থ্যকেই বিপন্ন করবে না, পাশাপাশি তা খাদ্য সুরক্ষা এবং এসডিজি (টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য) অর্জনের অগ্রগতির জন্যও হুমকি স্বরূপ।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, অ্যান্টি ড্রাগ রেজিস্ট্যান্সভৌগলিক অবস্থান এবং আর্থ-সামাজিক অবস্থা নির্বিশেষে যে কোনো ব্যক্তিকে প্রভাবিত করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী এএমআর নিয়ন্ত্রণ এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ (আইপিসি) ব্যবস্থা কঠোরভাবে মেনে চলা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, গ্লোবাল অ্যাকশন প্ল্যান-২০১৫ এবং এএমআর-তে জাতিসংঘের রাজনৈতিক ঘোষণা-২০১৬ বাস্তবায়নের মাধ্যমে এটি সম্ভব।

এএমআর-তে গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপের সহ-সভাপতি শেখ হাসিনা বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া আমোর মোটোলি এবং অন্যান্য বৈশ্বিক নেতাদের সাথে এএমআর এর হুমকির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একত্রে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী এএমআরের আসন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য বিশ্বব্যাপী কৌশলগুলো কার্যকর ও সহযোগিতামূলক পদ্ধতির মাধ্যমে কার্যকর করার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও), এফএও (খাদ্য ও কৃষি সংস্থা) এবং ওআইই (পশুর স্বাস্থ্যের জন্য বিশ্ব সংস্থা) এর চলমান প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন।

বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। আসন্ন এএমআর মহামারি পটভূমির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী কার্যকরভাবে এএমআর নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে তাদের ধ্বংস কার্যকর করার জন্য বিশ্বের সামনে সাতটি পরামর্শ রেখেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তার প্রথম প্রস্তাবে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স কন্টেইনমেন্ট-এআরসির লক্ষ্য অর্জনের জন্য বৈশ্বিক, আঞ্চলিক ও জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং সমীক্ষা তদারকির পাশাপাশি প্রতিবেদনের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি তার দ্বিতীয় এবং তৃতীয় প্রস্তাবে কার্যকর এবং অন্তর্ভুক্ত এএমআর নজরদারি এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য অ্যান্টিমাইক্রোবায়ালগুলোর যথাযথ ব্যবহার এবং বৈজ্ঞানিক জ্ঞান এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা ভাগ করে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন স্তরে নীতি ও নীতি বিকাশের পরামর্শ দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী তার চতুর্থ প্রস্তাবনায় প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং মালিকানা ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যের এবং কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক এবং অন্যান্য চিকিৎসা সুবিধাগুলোতে ন্যায়সঙ্গত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।

তিনি তার পঞ্চম প্রস্তাবনায় স্বল্প ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে বিশেষ মনোযোগ দিয়ে এএমআর-নির্দিষ্ট এবং এএমআর-সংবেদনশীল কর্মের জন্য পর্যাপ্ত এবং টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করার পক্ষে মতামত দিয়েছেন।

ষষ্ঠ ও সপ্তম প্রস্তাবনায় এএমআর প্রতিরোধে বিনিয়োগের জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের প্রয়োজনীয়তার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক, সাশ্রয়ী এবং টেকসই সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা কভারেজের ওপর জোর দিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারপ্রধান।

বাংলাদেশের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার দেশীয় স্তরে কার্যকর অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল ব্যবহার নিশ্চিত করতে ছয় বছরের জাতীয় কৌশলগত পরিকল্পনা এবং এআরসিতে জাতীয় কর্মপরিকল্পনার আওতায় অসংখ্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানব স্বাস্থ্য, গবাদি পশু, মৎস্য ও কৃষি খাতে অ্যান্টিমাইক্রোবায়ালের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পরিকল্পনাটি তৈরি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তার সরকার ২০১৪ সাল থেকে ডাব্লিউএইচও গ্লাস প্ল্যাটফর্মে এএমআর ডেটা সরবরাহ করে আসছে এবং অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল প্রতিরোধের বিষয়ে গণমানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে মিডিয়াকে জড়িত করার জন্য কাজ করছে।

জাপানি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশি প্রেসিডেন্ট

জাপানকে তিনি প্রথম জেনেছিলেন সেই শৈশবে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বাবার চাকরির সুবাদে। নির্মাণাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্রের আবাসিক ভবনে থাকতেন তাঁরা। ভেড়ামারা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রটি জাপানি সহায়তায় তৈরি হচ্ছিল। তাই সে সময় বেশ কয়েকজন জাপানি প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদ সেখানে কর্মরত ছিলেন। শিশু শাহরিয়ার আহমেদ তখন প্রাথমিক স্কুলের ছাত্র।

জাপানিদের কর্মনিষ্ঠা ও আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়ে শৈশবেই প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। এমনকি কখনো সুযোগ হলে জাপান নামের দেশটিতে লেখাপড়া করবেন বলে মনে মনে ঠিক করেন। শৈশবের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন শাহরিয়ার। জাপানে যে শুধু লেখাপড়া করেছেন তা নয়, লেখাপড়া শেষ করে দেশটিতে তিনি গবেষণা এবং শিক্ষকতায় যুক্ত থেকেছেন।

পেশাগত দক্ষতা ও পারদর্শিতার মধ্যে দিয়ে শিক্ষকতার সর্বোচ্চ পর্যায়ে তিনি পৌঁছেছেন। এ যেন শৈশবে দেখা স্বপ্নের মধুর বাস্তবায়ন। এ বছর এপ্রিল মাসে নিইগাতা জেলার সানজো শহরে চালু হওয়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রসর গবেষণার ওপর আলোকপাত করা একেবারে নতুন একটি বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে প্রেসিডেন্ট পদে নিয়োগ দিয়েছে। বাংলাদেশি একজন শিক্ষাবিদ ও গবেষকের জন্য এ বিরল এক অর্জন।

জাপানের সরকারি কিংবা বেসরকারি, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়েই ভাইস চ্যান্সেলরের কোনো পদ নেই এবং প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী। ফলে এই দায়িত্ব অনেকটাই বিস্তৃত এবং একই সঙ্গে হচ্ছে চ্যালেঞ্জিং। সানজো সিটি বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিশিক্ষার একটি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে নগর প্রশাসনের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত বলে অন্য অর্থে এটা হচ্ছে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।

শাহরিয়ার আহমেদ জাপানে আসেন ১৯৮৮ সালে। তখন তিনি কলেজ পর্যায়ের লেখাপড়া শেষ করা এক তরুণ। জাপানের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে লেখাপড়া করতে হলে জাপানি ভাষা জানা প্রয়োজন। তাই তিনি ভর্তি হয়েছিলেন টোকিওতে জাপানি ভাষা শেখার একটি স্কুলে।

ভাষা রপ্ত হওয়ার পর তিনি ভর্তি হন তাকুশোকু বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে। চার বছরের স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষা শেষ করে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন এবং এরপর পিএইচডি পর্যায়ের ডিগ্রি লাভের জন্য ভর্তি হন টোকিও দেনকি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিকে জাপানি ভাষায় বলা হয় দেনকি। বিজ্ঞানচর্চার সেই বিশ্ববিদ্যালয় বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি উদ্ভাবনের একটি সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত। ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর পর্যায়ের গবেষণায় নিয়োজিত থাকার সময় শাহরিয়ার আহমেদ কৃত্রিম হৃৎপিণ্ড নিয়ে কাজ করেছেন।

কৃত্রিম হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা, বিশেষ করে মানবদেহে এটা ব্যবহারের সময় রক্তকণিকা ভেঙে যাওয়ার সমস্যা সমাধান করে নেওয়ায় তাঁর উদ্ভাবন ছিল ব্যতিক্রমী এক অর্জন। পিএইচডি শেষ করার পর একই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকতার সুযোগ হয় তাঁর। এরপর নিইগাতার সাঙ্গিও বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ কয়েক বছর শিক্ষকতা করে পরে তিনি যোগ দিয়েছিলেন ওকিনাওয়ার আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটে।

সেখান থাকা অবস্থায় এ বছর এপ্রিল মাসে চালু হওয়া নিইগাতা জেলার সানজো বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্টের পদ তিনি গ্রহণ করেছেন এবং নতুন এই বিদ্যাপীঠকে প্রযুক্তিশিক্ষার ক্ষেত্রে জাপানের একটি ব্যতিক্রমী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলায় তিনি এখন সার্বক্ষণিকভাবে নিয়োজিত আছেন।

জাপানে সাত শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বিদেশি প্রেসিডেন্ট আছেন, সে রকম বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে মাত্র আটটি। তবে সানজো বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্য সাতটি হচ্ছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। সেদিক থেকে প্রথমবারের মতো সরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট পদে আসীন হয়ে শাহরিয়ার আহমেদ অন্য অর্থে জাপানের শিক্ষা খাতের আন্তর্জাতিক পথে যাত্রা শুরুর প্রতিনিধিত্ব করছেন।

কিছুদিন আগে ব্যস্ততার মধ্যেও সময় করে প্রথম আলোর সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা বলেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের একেবারে নতুন একটি দিক হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তির বাস্তব ব্যবহারের শিক্ষা শিক্ষার্থীদের হাতেকলমে লাভের সুযোগ করে দেওয়া। নিইগাতা জেলার সানজো এবং পাশের শহর সুবামে ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের অগ্রসরমাণ প্রযুক্তির শিল্প এলাকা হিসেবে পরিচিত।

বিস্তৃত সেই এলাকার ১০৩টি ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারমূলক সম্পর্ক বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে নিয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কাজ করার মধ্যে দিয়ে প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ সম্পর্কেও বিস্তারিত জানার সুযোগ পাবে, যা একই সঙ্গে জাপানের শিল্প খাত ও বিশ্ববিদ্যালয়—উভয়ের জন্য উপকারী হয়ে উঠবে বলে শাহরিয়ার আহমেদ মনে করেন।

তাঁর মতে, এটা ঠিক ইন্টার্ন ধরনের কাজ নয়, বরং এটা হচ্ছে ক্যাম্পাসের বাইরে প্রশিক্ষণ। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের ল্যাবরেটরিতে করতে হচ্ছে, সানজো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা তা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাজে জড়িত হওয়ার মধ্য দিয়ে করে নিতে পারবে।

জাপানে সাত শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বিদেশি প্রেসিডেন্ট আছেন, সে রকম বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে মাত্র আটটি। তবে সানজো বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্য সাতটি হচ্ছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রথম বছর ৮১ জন ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে এবং এরা সবাই জাপানি।

তবে শাহরিয়ার আহমেদ মনে করছেন, দুই থেকে তিন বছর পর বিদেশি ছাত্র গ্রহণের ব্যবস্থা তাঁর বিশ্ববিদ্যালয় করতে পারবে এবং সেই সুযোগ দেখা দিলে বাংলাদেশের ছাত্রদের বিশ্ববিদ্যালয়ে আকৃষ্ট করার উদ্যোগ তিনি অবশ্যই নেবেন। যেকোনো উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে গণ্য হওয়ায় বিদেশি ছাত্রদের জন্য দোয়ার উন্মুক্ত করার মধ্যে দিয়ে সেই বৈচিত্র্যের পথে বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাবে বলে তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস।