জাতিসংঘ ইসরাইলের আগ্রাসন ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে: হামাস

আন্তর্জাতিক

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস জাতিসংঘের সমালোচনা করে বলেছে, বিশ্ব এ সংস্থা ইহুদীবাদী ইসরাইলের আগ্রাসী নীতি থেকে ফিলিস্তিনকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে। জাতিসংঘের ভুল সংশোধন ও ইসরাইলী বর্বরতার অবসান ঘটাতে ফিলিস্তিনকে সাহায্য করারও আহ্বান জানিয়েছে হামাস।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর)) এক বিবৃতিতে হামাস বলেছে, দখলদার ইসরাইলকে প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করা জাতিসংঘ ইসরাইলের সমস্ত রকমের সন্ত্রাসবাদ থেকে ফিলিস্তিনি জনগণকে রক্ষা করতে অথবা ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

গত ৭২ বছর ধরে প্রতিদিন ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর বর্বরতা চালাচ্ছে ইসরাইল। অথচ জাতিসংঘের দীর্ঘদিনের অন্যতম নীতি হচ্ছে- যেকোনো জাতির জন্য মুক্তি, স্বাধীনতা ও নিজেদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। হামাসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে- জাতিসংঘের এসব ভুল সংশোধন না করলে তা চলতেই থাকবে।

গত সোমবার জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের কথা উল্লেখ করে বিবৃতিতে আরো বলা হয়- দুর্ভাগ্যজনকভাবে কেউই শক্তির শাসনের পরিবর্তে আইন শাসন প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের ব্যর্থতার কথা তুলে ধরতে পারেননি এবং আইনের শাসন কথাটি সম্ভবত দখলদার ইসরাইলের জন্য প্রযোজ্য নয়।

হামাস বলেছে, ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ইসরাইলের আগ্রাসন ও বর্বরতা হচ্ছে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার পেছনে ব্যর্থতার অন্যতম প্রধান কারণ।

সূত্র: পার্সটুডে

আরো পড়ুন-জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে আবারও প্রথম হলেন বাংলাদেশ

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের দুটি সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এক একটি হচ্ছে, এ মিশনে সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে দীর্ঘদিন দ্বিতীয় অবস্থানে থাকার পর আবারও প্রথম অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী গত ৩১ আগস্ট শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সংখ্যা মোট ছয় হাজার ৭৩১ জনে উন্নীত হয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশের মর্যাদা লাভ করে।

দ্বিতীয় সাফল্য হচ্ছে বাংলাদেশি একজন সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল মো. মাঈন উল্লাহ চৌধুরী দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ডেপুটি ফোর্স কমান্ডার নির্বাচিত হয়েছেন।
আইএসপিআর আজ শনিবার এ তথ্য নিশ্চিত করে।

সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল মো. মাঈন উল্লাহ চৌধুরী দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ডেপুটি ফোর্স কমান্ডার নির্বাচিত হয়েছেন।
এর আগেও বাংলাদেশের সেনা কর্মকর্তারা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ফোর্স কমান্ডার ও ডেপুটি ফোর্স কমান্ডার হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালনের গৌরব অর্জন করেছেন।

জানা যায়, সামরিক ও পুলিশ শান্তিরক্ষী পাঠানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এর আগেও অনেক বছর শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৩ সালের এপ্রিল মাসের শেষ দিন পর্যন্ত ২৮ মাসের মধ্যে ২০ মাসই বাংলাদেশ শীর্ষে ছিল। এর আগে ও পরে সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী প্রথম সারির দেশগুলোর তালিকায় নিজের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়।

জাতিসংঘের ‘ডিপার্টমেন্ট অব পিসকিপিং অপারেশন্স’-এর ওয়েবসাইটে শান্তিরক্ষা মিশনে কোন দেশ কত সামরিক ও পুলিশ সদস্য পাঠিয়েছে, তার বছর ও মাসভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে। এতে সর্বশেষ গত ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তথ্য রয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সব চেয়ে বেশি সামরিক ও পুলিশ সদস্য প্রেরণকারী দেশগুলোর মধ্যে প্রথম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ছয় হাজার ৪৭৭ জন পুরুষ ও ২৫৫ জন নারী মিলিয়ে মোট ছয় হাজার ৭৩১ জন শান্তিরক্ষী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করছেন।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইথিওপিয়া। এ দেশটির শান্তিরক্ষীদের সংখ্যা ৬ হাজার ৬৬২ জন। এ ছাড়া ছয় হাজার ৩২২ জন শান্তিরক্ষী নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রুয়ান্ডা, পাঁচ হাজার ৬৮২ জন শান্তিরক্ষী নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে নেপাল।

পাঁচ হাজার ৩৫৩ জন শান্তিরক্ষী নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে ভারত, চার হাজার ৪৪০ জন শান্তিরক্ষী নিয়ে ৬ষ্ঠ অবস্থানে পাকিস্তান এবং তিন হাজার ৯৩ জন শান্তিরক্ষী নিয়ে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে মিশর।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালের ইরাক-ইরানে সামরিক পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নেওয়া শুরু হয়। বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী এ মিশনে দায়িত্ব পালন করে আসছেন ১৯৯৩ সাল থেকে। বাংলাদেশের পুলিশ সদস্যরা এ মিশনে অংশগ্রহণ করে আসছেন ১৯৮৯ সাল থেকে।

আইএসপিআরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুসারে, গত মে মাস পর্যন্ত বিশ্বের ৪০টি দেশে ৫৪টি মিশনে এক লাখ ৭০ হাজার ২৪৩ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশের নারী শন্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করেছেন এক হাজার ৮০৩ জন। বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন ২৫৫ জন। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন বিশ্বের ১১টি দেশে। ঝুঁকিপুর্ণ এ দায়িত্ব পালনের সময় জীবন দিতে হয়েছে ১৫১ জনকে।

আরো পড়ুন: বিশ্বের প্রভাবশালী ৫০০ মুসলিমের তালিকা যারা !

ইসলামী পন্ডিতগণ ইসলামকে সারা বিশ্বের মুসলমানদের অন্তরে পুনরুজ্জিবীত করেন। তারা তাদের ব্যক্তিত্ব ও বক্তব্য দিয়ে বিশ্বজুড়ে প্রভাবিত করেন অসংখ্য মুসলমানকে। সম্প্রতি জর্দান ভিত্তিক রয়্যাল ইসলামিক স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ সেন্টার (আরআইএসএসসি) বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ৫০০ মুসলিমদের ২০২০ সালের সংস্করণ প্রকাশ করেছে।

যেখানে শীর্ষ স্থানে রয়েছেন পাকিস্তানি নাগরিক, বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি। তিনি হাদীস, ইসলামী ফিকহ, তাসাউফ ও অর্থনীতিতে বিশেষজ্ঞ। তিনি বর্তমানে ইসলামী অর্থনীতিতে সক্রিয় ব্যক্তিদের অন্যতম।

তিনি ১৯৮০ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শরীয়াহ আদালতের এবং ১৯৮২ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের শরীয়াহ আপিল বেঞ্চের বিচারক ছিলেন। তিনি ইসলামী ফিকহ্, হাদিস, অর্থনীতি এবং তাসাউউফ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি।

তৃতীয় স্থানে আছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবু ধাবির ক্রাউন প্রিন্স শায়েখ মুহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান। চতুর্থ স্থানে সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল-সৌদ এবং পঞ্চম স্থানে রয়েছেন জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ ইবনে আলী-হুসেইন।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান ষষ্ঠ। তিনি তুরস্কের ১২তম রাষ্ট্রপতি যিনি ২০১৪ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পুর্বেও ২০০৩ সাল হতে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তুরষ্কের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং তার পূর্বে ১৯৯৪ সাল থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত ইস্তাম্বুলের মেয়র হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে বাণিজ্যিক প্রবেশাধিকারের চুক্তি, বিগত দশবছর ধরে চলাকালীন মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও তুর্কি লিরার (তুর্কি মুদ্রা) মুল্য পুনর্নিধারণ, সুদের হার কমানো,অতীতে অট্টোমান শাসনাধীন দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিশ্বমহলে নেতৃস্থানীয় ও সৌহার্দ্যপুর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠাপ্রাপ্তিকে মুল লক্ষ্য রেখে বৈদেশিক নীতি গ্রহণ (নব্য-অটোম্যানবাদ),

বিরোধী বিক্ষোভকারীদের সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতি কারণে বিশ্বমহলে তিনি ব্যাপকভাবে আলোচিত। সপ্তম স্থানে রয়েছেন মরক্কোর বাদশাহ ষষ্ঠ মুহাম্মদ, অস্টম স্থানে ইরাকের আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী হুসেইন সিস্তিনি, নবম স্থানে ইয়ামেনের দার আল মুস্তফার পরিচালক শেখ আল-হাবিব উমর বিন হাফিজ এবং দশম স্থানে রয়েছেন ওমানের সুলতান কাবুস বিন সা’দ আল-সা’দ।

তালিকায় সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান ২৪তম স্থানে রয়েছেন। ভারতের জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের নেতা মাওলানা মাহমুদ মাদানি রয়েছেন ২৮ তম স্থানে।

আরো পড়ুন: অবশেষে কওমি মাদ্রাসা খোলার অনুমতি দিলো সরকার !

অবশেষে কওমি মাদ্রাসা খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার। তবে অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা এখনো দেয়া হয়নি। সোমবার (২৪ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে।

মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব সৈয়দ আসগর আলী স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, কওমি মাদ্রাসাগুলোর কিতাব বিভাগের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু ও পরীক্ষা গ্রহণের অনুমতি প্রদান করা হলো।

তবে ৬টি শর্ত পালন করতে হবে মাদ্রাসাগুলোকে।

শর্তগুলো হলো: ১. প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, মাথায় নিরাপত্তা টুপি পরা আবশ্যক।
২. মাদ্রাসায় প্রবেশের পূর্বে গেটে স্যানিটাইজিং করতে হবে। ৩. শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ কক্ষে অবস্থান করবে, বিক্ষিপ্তভাবে চলাফেরা করবে না।

৪. একজন শিক্ষার্থী অন্য শিক্ষার্থী থেকে কমপক্ষে ৩ ফিট দূরত্বে অবস্থান করবে। ৫. করোনার কারণে কোলাকুলি ও হাত মেলানো যাবে না। ৬. শিক্ষক ও কর্মচারীরাও একইভাবে সরকারের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ক্লাস করাবেন।

এর আগে গত ১৭ আগস্ট কিতাব বিভাগের কার্যক্রম চালু ও পরীক্ষা নেয়ার সুযোগ করে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন জানিয়েছিল জাতীয় দ্বীনি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড।

ওইদিন সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে আবেদনপত্রটি পৌঁছে দেন তারা। প্রসঙ্গত, করোনা মহামারীর কারণে দেশের প্রায় ২২ হাজার কওমি মাদ্রাসার ২৫ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী গত শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক পরীক্ষা দিতে পারেনি।

ঈদুল ফিতরের পর কওমি মাদ্রাসাগুলোর নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হলেও করোনার কারণে তা স্থগিত রাখা হয়। এর আগে বেফাকুল মাদারিসিদ্দীনিয়্যা বাংলাদেশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সব হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও হিফজখানা ১২ জুলাই থেকে চালুর অনুমতি দিয়েছে সরকার।

গত ৮ জুলাই ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করে। সেখানে বলা হয়, এসব মাদ্রাসাকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে। দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। এরপর ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করে সরকার।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় পরবর্তী সময়ে দফায় দফায় ছুটি বাড়ানো হয়। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ছুটি দেশের সব স্কুল-কলেজ। সেই হিসাবে ১ সেপ্টেম্বর স্কুল-কলেজ খোলার কথা।

তবে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে রোববার (২৩ আগস্ট) সাংবাদিকদের জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব। তিনি বলেন, দেশে এখন পর্যন্ত করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিতে ফেলা হবে না।

তাই সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সম্ভাবনা খুব কম। এদিকে আজ সোমবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অতিরিক্ত সচিব বলেন, আগামী ৩১ আগস্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বর্তমান ছুটি শেষ হবে।

ছুটি শেষ হলে এটি আরও বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা এবং কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিবসহ বিভাগীয় প্রধানদের ভার্চুয়াল সভা হয়েছে।

সুত্র: সময়ের কণ্ঠস্বর