বাইডেনের পক্ষে ট্রাম্প শিবিরের অর্ধশতাধিক সাবেক কর্মকর্তা

আন্তর্জাতিক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের পক্ষে প্রচারণায় নামছেন রিপাবলিকান প্রশাসনের হয়ে দায়িত্ব পালন করা অর্ধশতাধিক সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা। আগামী বৃহস্পতিবার তারা সাবেক ভাইস-প্রেসিডেন্টের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণায় অংশ নেবেন।

গত আগস্টে ৭০ জন সদস্য নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছিল ‘ফর্মার রিপাবলিকান ন্যাশনাল সিকিউরিটি অফিসিয়ালস ফর বাইডেন’ নামে ওই গ্রুপটি। তারাসহ প্রায় ১৩০ জন সাবেক রিপাবলিকান কর্মকর্তা এবারের নির্বাচনে ট্রাম্পের বিরোধিতা করে ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে যোগ দিয়েছেন।

এদের মধ্যে সাতজন সরাসরি ট্রাম্প প্রশাসনের সাথেই যুক্ত ছিলেন। অন্যরা রোনাল্ড রিগ্যান, জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ, জর্জ ডব্লিউ বুশের মতো রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টদের অধীনে সিনিয়র নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেছেন।

সূত্র: রয়টার্স

আরো পড়ুন-‘ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে সংবিধান পাল্টাতে চান ট্রাম্প’

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি দুই মেয়াদের বেশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে থাকতে চান। তিনি তা কৌতুক করে বলেননি বলে দাবি করেছেন ট্রাম্পের সাবেক আইনজীবী মিশেল কোহেন।

বুধবার মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন-কে দেয়া সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেন।
‘ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বাস করেন তাকে শাসক হতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বৈরশাসক। তিনি সত্যিকার অর্থে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে সংবিধান সংশোধন করতে চান তিনি। বলেন কোহেন।

সিএনএন টুনাইটে কোহেন বলেন, ট্রাম্প বলেছিলেন ১২ বছরের বেশি হোয়াইট হাউসে থাকতে চাই। আসলে তিনি কথার কথা বলেননি। কারণ তার মধ্যে কোনো রসবোধ নেই।

আমি বলতে চাই, ট্রাম্প বলেছেন ১২ বছরের বেশি ক্ষমতায় থাকতে চান। যদি তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হন স্বাভাবিকভাবে প্রথম দিন থেকেই ভাবনা শুরু করবেন কীভাবে তৃতীয় মেয়াদের জন্য সংবিধান পরিবর্তন করা যায়।

তার পর চতুর্থ মেয়াদের জন্য পরিকল্পনা সাজাবেন। তিনি এ বিষয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বা উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের উদাহরণ অনুসরণ করেন। বলেন কোহেন।

কোহেন বলেন, করোনার কঠিন সময়ে তিনি যখন নভেম্বর অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন সেখানেও তৃতীয় দফা নির্বাচনে অংশ নেয়ার পরিকল্পনা তুলে ধরছেন। যদিও আসন্ন নির্বাচনে তার জয়ী হওয়া নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

গেলো মাসে উইসকনসিনে এক সমাবেশে ট্রাম্প বলেছেন, আমরা আরো চার বছরের জন্য জয়ী হতে যাচ্ছি। তারপর আরো চার বছরের জন্য আমরা প্রচারণা চালাবো।

ট্রাম্পকে পুনরায় নির্বাচনের বিষয়ে সতর্ক করে বুধবার রাতে কোহেন বলেন, হোয়াইট হাউস একটি উপাসনালয়ের মতো। সেখানে প্রেসিডেন্টকে চ্যালেঞ্জ করার ক্ষমতা কারো নেই। ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের কেউ ট্রাম্পকে যেমন কোনো প্রশ্ন করতে পারেন না; হোয়াইট হাউসেও তাকে যারা প্রশ্ন করেন তাদের বিতাড়িত করেন তিনি।

হোয়াইট হাউসে কেউ যদি ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ঈশ্বর আপনাকে ভুল বলতে বা করতে নিষেধ করেছেন। আপনাকে নিশ্চিতভাবে বহিষ্কার করা হবে।

এ কারণে ট্রাম্প প্রশাসনে অনেক মানুষ গিয়েছে এবং ফেরতও এসেছে। হোয়াইট হাউসে বা বাইরে কর্মকর্তারা কে কি করেন; সবকিছুর নথি রাখেন তিনি। নথি রাখতে তিনি পছন্দ করেন।
রিপাবলিকান দলের আনুগত্য ট্রাম্প কীভাবে অর্জন করলেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে কোহেন বলেন, কারণ তিনি ধর্মীয় নেতা।

‘তাকে কিছু মানুষ অনুসরণ করে। কিন্তু কেনো? আমি জানি না। আমার স্ত্রী, মেয়ে এবং ছেলে সবসময় আমাকে বলতো, তুমি এসব বন্ধ করো। আমরা চাই না তুমি তার জন্য কাজ করো। তুকি চাকরি ছেড়ে দাও। তার অর্থ আপনি নৈতিকভাবে ভুল কাজ করছেন। আপনি আপনার নৈতিকতা হারিয়েছেন। বলেন কোহেন।

সিএনএন-কে সাক্ষাতকার দেয়ার আগেরদিন কোহেনের একটি বই বাজারে আসে। আত্মজীবনীতে তিনি ট্রাম্পকে, ধান্দাবাজ, মিথ্যুক, প্রতারক, বর্ণবাদী, ধূর্ত বলে অভিহিত করেন।
ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মিশেল কোহেন।

২০১৬ সালের মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রচারণা শিবিরের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০১৮ সালে কর ফাঁকি, কংগ্রেসে মিথ্যা সাক্ষ্য এবং প্রচারণার তহবিল তছরুপের অভিযোগ দোষী সাব্যস্ত হন।

প্রচারণা তহবিল থেকে ট্রাম্পের সঙ্গে পূর্বে সম্পর্ক থাকা দুই নারীর মুখ বন্ধ রাখতে তাদের অর্থ দেন কোহেন। যদিও তাদের সঙ্গে সম্পর্ক অস্বীকার করেছেন ট্র্রাম্প। দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর কোহেন অর্থ প্রদানের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে যুক্ত করেন। বলেন, ট্রাম্পের নির্দেশে তিনি ওই অর্থ দিয়েছিলেন।

বইয়ের শেষে আমার একটি আহ্বান রয়েছে সবার জন্য। যারা বইটি পড়বে তাদের জন্য সতর্কতাও। আপনার দৃষ্টি প্রসারিত করুন। চোখ পরিষ্কার করে দেখুন। যে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে ছাড়া আমাদের কাউকে নিয়ে তার কোনো ভাবনা নেই।

আপনার পরিবারের সদস্যরা মারা যাক। তিনি বেঁচে থাকলেই হলো। বর্তমানে নির্বাচন, নিজের ভালো ছাড়া ট্রাম্প কিচ্ছু ভাবছেন না। আরো চার বছর ক্ষমতায় থাকতে আপনার জীবন অনায়েসে বিলিয়ে দিতে পারেন তিনি। বলেন কোহেন।

আরো পড়ুন: করোনা মহামারীর কারণে এ বছর স্টকহোমে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা অনুষ্ঠান বাতিল !

আর মাত্র ক’দিন বাকি। ৫ অক্টোবর থেকে ১২ অক্টোবরের মধ্যে ছয়টি কার্যদিবসে ছয়জন নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। এর মধ্যে নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণা করা হবে ৯ অক্টোবর।

নোবেল পুরস্কারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তবে করোনা মহামারীর কারণে এ বছর স্টকহোমে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। বিজয়ীরা তাদের নিজ নিজ দেশ থেকে অনলাইনে অংশগ্রহণ করবেন।

নোবেল পুরস্কার ঘোষণার সময় ঘনিয়ে এলে বিশ্ব মিডিয়ায় বিভিন্ন মনগড়া সংবাদ দেখা যায়। যেমন, নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য বিশ্বের বড় বড় দেশের পছন্দের ব্যক্তিদের তালিকায় রয়েছেন অমুক-তমুক। ৯ সেপ্টেম্বর এ ধরনের একটি সংবাদ বিশ্ব মিডিয়ায় বেশ আলোচিত হয়েছে।

সংবাদের শিরোনাম ছিল: ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২১ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত’। শিরোনামটি পড়লে যে কোনো পাঠকই ভাববেন নোবেল কমিটিই বোধহয় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছে। অর্থাৎ তিনি মনোনীত হয়ে গেছেন, এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা।

সংবাদটি দেখে বুঝে উঠতে পারছিলাম না আসলেই তিনি নোবেল পেতে যাচ্ছেন কি না। পরে কয়েকটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম ঘেঁটে যা বুঝতে পারলাম তা হল- নরওয়ের একজন ডানপন্থী রাজনীতিক নোবেল কমিটি বরাবর মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষে ইমেইলে মনোনয়ন প্রেরণ করেছেন।

ওই মনোনয়নের আলোকেই মিডিয়ায় ওই সংবাদ ছাপা হয়েছে। এ সংবাদের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কৌতূহলবশত নোবেল কমিটির কাছে একটি মিডিয়া ইনকোয়ারি পাঠাই। ইমেইল পাঠানোর সময় কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলাম, নোবেল কমিটি কি আদৌ ইমেইলের উত্তর দেয়ার প্রয়োজন মনে করবে?

কিন্তু আমার ধারণা অমূলক করে দিয়ে নোবেল কমিটি মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর পাঠাল। নোবেল কমিটির তথ্য-সেক্রেটারি ক্রিস্টিন আসদাল লিখেছেন, নোবেল পুরস্কারের মনোনয়ন সংক্রান্ত কোনো তথ্য পরবর্তী ৫০ বছরের আগে প্রকাশ করা হয় না। ৫০ বছর পর কেউ আবেদন করলে শুধু গবেষণা কাজের জন্য তথ্য দেয়া হতে পারে।

কোনো ব্যক্তিবিশেষের পক্ষে কেউ কোনো মনোনয়ন পাঠিয়েছেন কিনা সেই তথ্য নোবেল পুরস্কারের আইন অনুযায়ী কাউকে জানানো হয় না। তারা আরও জানিয়েছেন, প্রতিবছর ৩১ জানুয়ারি রাত ১২টার আগে ওই বছরের নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পাঠাতে হয়। প্রতিবছরই ৩শ’র বেশি মনোনয়ন জমা পড়ে।

এর মধ্যে ধাপে ধাপে দীর্ঘ ৮ মাস বিভিন্ন স্ক্রুটিনি ও ভোটাভুটি শেষে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। সুতরাং মনোনয়ন জমা দেয়া মানেই নোবেল জয় করা নয়। ইমেইল থেকে একটি বিষয় পরিষ্কার হল, নোবেল কমিটি যেখানে নোবেল পুরস্কারের মনোনয়ন সংক্রান্ত কোনো তথ্য পরবর্তী ৫০ বছর পর্যন্ত প্রকাশ করে না,

তাই ডোনাল্ড ট্রাম্প মনোনীত হওয়ার তথ্য নোবেল কমিটি থেকে প্রেরিত নয়। হয়তোবা যিনি মনোনয়নটি পাঠিয়েছেন, তিনিই মিডিয়াকে জানিয়েছেন! অথবা যেহেতু নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন, তাই ট্রাম্প কাউকে দিয়ে তার পক্ষে মনোনয়নটি পাঠিয়ে কিছু পাবলিসিটি নেয়ার চেষ্টা করেছেন।

যে বিশেষ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী নির্বাচিত করা হয়, তাতে সময় লাগে প্রায় ৮ মাস। কোনো ব্যক্তিবিশেষ নিজেই নিজের মনোনয়ন দাখিল করতে পারেন না। একটি সুনির্দিষ্ট ক্যাটাগরির ব্যক্তিবর্গ তাদের পছন্দের যে কোনো ব্যক্তির জন্য মনোনয়ন দাখিল করতে পারেন।

প্রতি বছরের ৩১ জানুয়ারি রাত ১২টার মধ্যে ওই বছরের নোবেল পুরষ্কারের জন্য মনোনয়ন জমা দিতে হয়। অর্থাৎ এ প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হওয়ার প্রধান শর্ত হচ্ছে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়ন জমা দেয়া।

তারপর ফেব্রুয়ারি ও মার্চের মধ্যে মনোনীত ব্যক্তিদের প্রোফাইল পর্যালোচনা ও যাচাই-বাছাই শেষে একটি শর্ট লিস্ট বা প্রাথমিক তালিকা তৈরি করে নোবেল কমিটি। মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত এ তালিকাটি পর্যালোচনা করা হয়। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ওই বছরের বিজয়ীদের নির্বাচিত করে নাম ঘোষণা করা হয়। কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। এ ব্যাপারে আপিলের কোনো সুযোগ থাকে না।

তাইসির মাহমুদ : সম্পাদক, সাপ্তাহিক দেশ, লন্ডন

আরো পড়ুন: করোনা ভ্যাকসিন আসার আগেই মারা যাবে ২০ লাখ মানুষ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

এখনো বিশ্বে একটি কার্যকর করোনা ভ্যাকসিনের সহজলভ্য ব্যবহার শুরুই হয়নি। এদিকে বিশ্বে কার্যকর কোনো ভ্যাকসিনের ব্যবহার সহজলভ্য হওয়ার আগেই প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে ২০ লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে বলে জানিয়েছে ডব্লিউএইচও।

সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এক বিবৃতিতে এ বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে। খবর বিবিসির। ডব্লিউএইচওর জরুরি বিভাগের প্রধান মাইক রায়ান বলেছেন, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা জোরদার না হলে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনে প্রথম করোনার উপস্থিতি ধরা পড়ে। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে এই ভাইরাসের প্রকোপ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বজুড়ে এর মধ্যেই প্রায় ১০ লাখ মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে করোনাভাইরাস।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যাও পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলেছে। ওয়ার্ল্ডোমিটারের পরিসংখ্যান বলছে, এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ২৭ লাখ ৬৫ হাজার ২০৪। এর মধ্যে মারা গেছে ৯ লাখ ৯৩ হাজার ৪৬৩ জন। অপরদিকে সুস্থ হয়ে উঠেছে ২ কোটি ৪১ লাখ ৭৮ হাজার ৩৪৬ জন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই ইতোমধ্যেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়ে গেছে। এ নিয়েও সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমণে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র, ভারত এবং ব্রাজিলেই। এ তিন দেশেই সংক্রমণ প্রায় দেড় কোটির বেশি।

সম্প্রতি ইউরোপে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। ফলে অনেক দেশই নতুন করে আবারও লকডাউন আরোপের বিষয়ে চিন্তা করছে। বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারি শুরু পর বেশিরভাগ দেশেই লকডাউন জারি হলেও মাঝখানে বেশ কিছুদিন অনেক দেশেই কড়াকড়ি তুলে নেওয়া হয়েছিল।