‘ইসলাম সঙ্কটে‘ প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রঁর এই বক্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া

আন্তর্জাতিক

ইসলাম এবং ফরাসী মুসলিমদের নিয়ে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রঁ শুক্রবার প্যারিসের কাছে অভিবাসী অধ্যুষিত একটি এলাকায় ঘন্টাখানেকেরও বেশি সময় ধরে তার এক ভাষণে যে ভাষায় কথা বলেছেন, যে শব্দ বা বিশেষণ ব্যবহার করেছেন – তার নজির ফ্রান্সে বিরল।

তিনি বলেন, যে সব গোষ্ঠী, প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তি ফ্রান্সের ঐক্য এবং ফরাসী প্রজাতন্ত্রের ‘ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধকে‘ হুমকিতে ফেলছে তাদের মোকাবেলার জন্য নতুন একটি আইন তিনি আনছেন। ফরাসী সমাজের ঐ কথিত শত্রু হিসাবে তিনি পরিষ্কার করেই চিহ্নিত করেছেন ‘কট্টর ইসলাম‘কে।

প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রঁ বলেন, ফ্রান্সের ঐক্যের প্রধান বন্ধনই হচ্ছে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা।‘ “যারা ধর্মের নামে সেখানে ফাটল ধরাতে চায় তাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়তে হবে,“ তিনি বলেন।

ইসলাম সঙ্কটে
ইসলামি স্কুলগুলোর ওপর নজরদারি বাড়ানো হবে। পুরো ভাষণ ধরে মি ম্যাক্রঁ বলার চেষ্টা করেন তিনি ইসলাম ধর্ম বা মুসলিমদের বিরুদ্ধে নন, কিন্তু একইসাথে ইসলাম ধর্ম নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেন ফরাসী প্রেসিডেন্ট।

“বিশ্বজুড়ে ইসলাম একটি সঙ্কটে পড়েছে, এমনকি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশেও এই ধর্মটি সঙ্কটে।“
তিনি বলেন, “এই ধর্মটিকে এখন আমাদের সাহায্য করতে হবে যাতে তারা ফ্রান্স প্রজাতন্ত্রের অংশীদার হতে পারে।“

তিনি বলেন, ফ্রান্সে এমন একটি ইসলাম প্রতিষ্টা করতে হবে যার ভিত্তি ‘জ্ঞানের আলো।’ এ প্রসঙ্গে তিনি ফ্রান্সে রাষ্ট্র থেকে গির্জাকে আলাদা করার ঐতিহাসিক আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।

আরো পড়ুন: করোনা মহামারীর কারণে এ বছর স্টকহোমে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা অনুষ্ঠান বাতিল !

আর মাত্র ক’দিন বাকি। ৫ অক্টোবর থেকে ১২ অক্টোবরের মধ্যে ছয়টি কার্যদিবসে ছয়জন নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। এর মধ্যে নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণা করা হবে ৯ অক্টোবর।

নোবেল পুরস্কারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তবে করোনা মহামারীর কারণে এ বছর স্টকহোমে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। বিজয়ীরা তাদের নিজ নিজ দেশ থেকে অনলাইনে অংশগ্রহণ করবেন।

নোবেল পুরস্কার ঘোষণার সময় ঘনিয়ে এলে বিশ্ব মিডিয়ায় বিভিন্ন মনগড়া সংবাদ দেখা যায়। যেমন, নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য বিশ্বের বড় বড় দেশের পছন্দের ব্যক্তিদের তালিকায় রয়েছেন অমুক-তমুক। ৯ সেপ্টেম্বর এ ধরনের একটি সংবাদ বিশ্ব মিডিয়ায় বেশ আলোচিত হয়েছে।

সংবাদের শিরোনাম ছিল: ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২১ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত’। শিরোনামটি পড়লে যে কোনো পাঠকই ভাববেন নোবেল কমিটিই বোধহয় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছে। অর্থাৎ তিনি মনোনীত হয়ে গেছেন, এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা।

সংবাদটি দেখে বুঝে উঠতে পারছিলাম না আসলেই তিনি নোবেল পেতে যাচ্ছেন কি না। পরে কয়েকটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম ঘেঁটে যা বুঝতে পারলাম তা হল- নরওয়ের একজন ডানপন্থী রাজনীতিক নোবেল কমিটি বরাবর মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষে ইমেইলে মনোনয়ন প্রেরণ করেছেন।

ওই মনোনয়নের আলোকেই মিডিয়ায় ওই সংবাদ ছাপা হয়েছে। এ সংবাদের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কৌতূহলবশত নোবেল কমিটির কাছে একটি মিডিয়া ইনকোয়ারি পাঠাই। ইমেইল পাঠানোর সময় কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলাম, নোবেল কমিটি কি আদৌ ইমেইলের উত্তর দেয়ার প্রয়োজন মনে করবে?

কিন্তু আমার ধারণা অমূলক করে দিয়ে নোবেল কমিটি মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর পাঠাল। নোবেল কমিটির তথ্য-সেক্রেটারি ক্রিস্টিন আসদাল লিখেছেন, নোবেল পুরস্কারের মনোনয়ন সংক্রান্ত কোনো তথ্য পরবর্তী ৫০ বছরের আগে প্রকাশ করা হয় না। ৫০ বছর পর কেউ আবেদন করলে শুধু গবেষণা কাজের জন্য তথ্য দেয়া হতে পারে।

কোনো ব্যক্তিবিশেষের পক্ষে কেউ কোনো মনোনয়ন পাঠিয়েছেন কিনা সেই তথ্য নোবেল পুরস্কারের আইন অনুযায়ী কাউকে জানানো হয় না। তারা আরও জানিয়েছেন, প্রতিবছর ৩১ জানুয়ারি রাত ১২টার আগে ওই বছরের নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পাঠাতে হয়। প্রতিবছরই ৩শ’র বেশি মনোনয়ন জমা পড়ে।

এর মধ্যে ধাপে ধাপে দীর্ঘ ৮ মাস বিভিন্ন স্ক্রুটিনি ও ভোটাভুটি শেষে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। সুতরাং মনোনয়ন জমা দেয়া মানেই নোবেল জয় করা নয়। ইমেইল থেকে একটি বিষয় পরিষ্কার হল, নোবেল কমিটি যেখানে নোবেল পুরস্কারের মনোনয়ন সংক্রান্ত কোনো তথ্য পরবর্তী ৫০ বছর পর্যন্ত প্রকাশ করে না,

তাই ডোনাল্ড ট্রাম্প মনোনীত হওয়ার তথ্য নোবেল কমিটি থেকে প্রেরিত নয়। হয়তোবা যিনি মনোনয়নটি পাঠিয়েছেন, তিনিই মিডিয়াকে জানিয়েছেন! অথবা যেহেতু নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন, তাই ট্রাম্প কাউকে দিয়ে তার পক্ষে মনোনয়নটি পাঠিয়ে কিছু পাবলিসিটি নেয়ার চেষ্টা করেছেন।

যে বিশেষ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী নির্বাচিত করা হয়, তাতে সময় লাগে প্রায় ৮ মাস। কোনো ব্যক্তিবিশেষ নিজেই নিজের মনোনয়ন দাখিল করতে পারেন না। একটি সুনির্দিষ্ট ক্যাটাগরির ব্যক্তিবর্গ তাদের পছন্দের যে কোনো ব্যক্তির জন্য মনোনয়ন দাখিল করতে পারেন।

প্রতি বছরের ৩১ জানুয়ারি রাত ১২টার মধ্যে ওই বছরের নোবেল পুরষ্কারের জন্য মনোনয়ন জমা দিতে হয়। অর্থাৎ এ প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হওয়ার প্রধান শর্ত হচ্ছে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়ন জমা দেয়া।

তারপর ফেব্রুয়ারি ও মার্চের মধ্যে মনোনীত ব্যক্তিদের প্রোফাইল পর্যালোচনা ও যাচাই-বাছাই শেষে একটি শর্ট লিস্ট বা প্রাথমিক তালিকা তৈরি করে নোবেল কমিটি। মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত এ তালিকাটি পর্যালোচনা করা হয়। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ওই বছরের বিজয়ীদের নির্বাচিত করে নাম ঘোষণা করা হয়। কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। এ ব্যাপারে আপিলের কোনো সুযোগ থাকে না।

তাইসির মাহমুদ : সম্পাদক, সাপ্তাহিক দেশ, লন্ডন

আরো পড়ুন: করোনা ভ্যাকসিন আসার আগেই মারা যাবে ২০ লাখ মানুষ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

এখনো বিশ্বে একটি কার্যকর করোনা ভ্যাকসিনের সহজলভ্য ব্যবহার শুরুই হয়নি। এদিকে বিশ্বে কার্যকর কোনো ভ্যাকসিনের ব্যবহার সহজলভ্য হওয়ার আগেই প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে ২০ লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে বলে জানিয়েছে ডব্লিউএইচও।

সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এক বিবৃতিতে এ বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে। খবর বিবিসির। ডব্লিউএইচওর জরুরি বিভাগের প্রধান মাইক রায়ান বলেছেন, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা জোরদার না হলে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনে প্রথম করোনার উপস্থিতি ধরা পড়ে। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে এই ভাইরাসের প্রকোপ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বজুড়ে এর মধ্যেই প্রায় ১০ লাখ মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে করোনাভাইরাস।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যাও পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলেছে। ওয়ার্ল্ডোমিটারের পরিসংখ্যান বলছে, এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ২৭ লাখ ৬৫ হাজার ২০৪। এর মধ্যে মারা গেছে ৯ লাখ ৯৩ হাজার ৪৬৩ জন। অপরদিকে সুস্থ হয়ে উঠেছে ২ কোটি ৪১ লাখ ৭৮ হাজার ৩৪৬ জন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই ইতোমধ্যেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়ে গেছে। এ নিয়েও সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমণে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র, ভারত এবং ব্রাজিলেই। এ তিন দেশেই সংক্রমণ প্রায় দেড় কোটির বেশি।

সম্প্রতি ইউরোপে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। ফলে অনেক দেশই নতুন করে আবারও লকডাউন আরোপের বিষয়ে চিন্তা করছে। বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারি শুরু পর বেশিরভাগ দেশেই লকডাউন জারি হলেও মাঝখানে বেশ কিছুদিন অনেক দেশেই কড়াকড়ি তুলে নেওয়া হয়েছিল।

আরো পড়ুন-জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে আবারও প্রথম হলেন বাংলাদেশ

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের দুটি সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এক একটি হচ্ছে, এ মিশনে সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে দীর্ঘদিন দ্বিতীয় অবস্থানে থাকার পর আবারও প্রথম অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী গত ৩১ আগস্ট শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সংখ্যা মোট ছয় হাজার ৭৩১ জনে উন্নীত হয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশের মর্যাদা লাভ করে।

দ্বিতীয় সাফল্য হচ্ছে বাংলাদেশি একজন সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল মো. মাঈন উল্লাহ চৌধুরী দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ডেপুটি ফোর্স কমান্ডার নির্বাচিত হয়েছেন।
আইএসপিআর আজ শনিবার এ তথ্য নিশ্চিত করে।

সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল মো. মাঈন উল্লাহ চৌধুরী দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ডেপুটি ফোর্স কমান্ডার নির্বাচিত হয়েছেন।
এর আগেও বাংলাদেশের সেনা কর্মকর্তারা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ফোর্স কমান্ডার ও ডেপুটি ফোর্স কমান্ডার হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালনের গৌরব অর্জন করেছেন।

জানা যায়, সামরিক ও পুলিশ শান্তিরক্ষী পাঠানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এর আগেও অনেক বছর শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৩ সালের এপ্রিল মাসের শেষ দিন পর্যন্ত ২৮ মাসের মধ্যে ২০ মাসই বাংলাদেশ শীর্ষে ছিল। এর আগে ও পরে সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী প্রথম সারির দেশগুলোর তালিকায় নিজের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়।

জাতিসংঘের ‘ডিপার্টমেন্ট অব পিসকিপিং অপারেশন্স’-এর ওয়েবসাইটে শান্তিরক্ষা মিশনে কোন দেশ কত সামরিক ও পুলিশ সদস্য পাঠিয়েছে, তার বছর ও মাসভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে। এতে সর্বশেষ গত ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তথ্য রয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সব চেয়ে বেশি সামরিক ও পুলিশ সদস্য প্রেরণকারী দেশগুলোর মধ্যে প্রথম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ছয় হাজার ৪৭৭ জন পুরুষ ও ২৫৫ জন নারী মিলিয়ে মোট ছয় হাজার ৭৩১ জন শান্তিরক্ষী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করছেন।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইথিওপিয়া। এ দেশটির শান্তিরক্ষীদের সংখ্যা ৬ হাজার ৬৬২ জন। এ ছাড়া ছয় হাজার ৩২২ জন শান্তিরক্ষী নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রুয়ান্ডা, পাঁচ হাজার ৬৮২ জন শান্তিরক্ষী নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে নেপাল।

পাঁচ হাজার ৩৫৩ জন শান্তিরক্ষী নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে ভারত, চার হাজার ৪৪০ জন শান্তিরক্ষী নিয়ে ৬ষ্ঠ অবস্থানে পাকিস্তান এবং তিন হাজার ৯৩ জন শান্তিরক্ষী নিয়ে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে মিশর।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালের ইরাক-ইরানে সামরিক পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নেওয়া শুরু হয়। বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী এ মিশনে দায়িত্ব পালন করে আসছেন ১৯৯৩ সাল থেকে। বাংলাদেশের পুলিশ সদস্যরা এ মিশনে অংশগ্রহণ করে আসছেন ১৯৮৯ সাল থেকে।

আইএসপিআরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুসারে, গত মে মাস পর্যন্ত বিশ্বের ৪০টি দেশে ৫৪টি মিশনে এক লাখ ৭০ হাজার ২৪৩ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশের নারী শন্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করেছেন এক হাজার ৮০৩ জন। বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন ২৫৫ জন। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন বিশ্বের ১১টি দেশে। ঝুঁকিপুর্ণ এ দায়িত্ব পালনের সময় জীবন দিতে হয়েছে ১৫১ জনকে।