আল কায়দা যোগে ধৃত মাদ্রাসার শিক্ষক

আন্তর্জাতিক

জঙ্গি সংগঠন আল কায়দার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আরও এক যুবককে গ্রেফতার করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ। রবিবার বিকেলে মুর্শিদাবাদের রানিনগরের নাজরানা গ্রাম থেকে আব্দুল মোমিন মণ্ডল নামে ওই যুবককে আটক করে এনআইএ।

জলঙ্গির বিএসএফ ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত আব্দুল মোমিন রায়পুর এলাকায় দারুল হুদা শিশু মাদ্রাসার শিক্ষক। সোমবার, তাঁকে বহরমপুর আদালতে পেশ করে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার জন্য ট্রানজ়িট রিমান্ড নিয়েছে এনআইএ।

আল কায়দার সঙ্গে যোগসাজশে নাশকতায় হাতেখড়ি নেওয়ার অভিযোগে গত, ১৯ সেপ্টেম্বর মুর্শিদাবাদের ডোমকল, রানিনগর এলাকা থেকে ছ’জনকে গ্রেফতার করেছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।

বাংলাদেশের সীমান্ত-ঘেঁষা ওই এলাকারই আরও তিন যুবককে সে দিনই গ্রেফতার করা হয় কেরলের এর্নাকুলাম থেকে। ওই ন’জনকে, কখনও দিল্লি কখনও বা মুর্শিদাবাদে এনে দফায় দফায় জেরা করেছে এনআইএ। সেই সূত্রেই আব্দুল মোমিনের নাম উঠে আসে বলে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা জানিয়েছেন।

পুজোর মুখে মুর্শিদাবাদে এসে ঘাঁটি গেড়েছিল এনআইএ। দিন কয়েক নজরদারির পরে শনিবার তারা মোমিনের শ্বশুরবাড়ি ডোমকল ব্লকের রায়পুরে হানা দেয়। কিন্তু সেখানে তাঁর দেখা মেলেনি। রবিবার বিকেলে নাজরানা গ্রামে আসেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। মোমিন তখন মোটরবাইক নিয়ে বেরোচ্ছিলেন। তখনই তাঁকে আটক করা হয়।

গোয়েন্দাদের অভিযোগ, মাদ্রাসা থেকেই মোমিন নানারকম জঙ্গি কার্যকলাপ চালাতেন। ছাত্রদের পড়ানোর ফাঁকে ‘জেহাদ’-এর কথা বলতেন। জলঙ্গি এবং শেখপাড়া এলাকার যে গোপন আস্তানায় বৈঠক বসত, সেখানেও নিয়মিত যাতায়াত ছিল মোমিনের। তাঁকে জেরা করে রানিনগর এলাকার বাসিন্দা আরও অন্তত তিন জনের খোঁজ শুরু হয়েছে বলে এনআইএ সূত্রের দাবি।