খড়ের তৈরি স্কুলে পুড়ে মরল ২০ শিশু শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক

নাইজারে খড়ের তৈরি একটি স্কুলে অগ্নিকাণ্ডে প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অন্তত ২০টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) পশ্চিম আফ্রিকার দেশটির একটি দরিদ্র গ্রামে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। সরকারি কর্মকর্তাদের বরাতে ভয়েস অব আমেরিকা ও বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমন খবর দিয়েছে।
দেশটির ফায়ার সার্ভিসের প্রধান কর্নেল বাকো বাউবাকার বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ২০ প্রাণহানি ঘটেছে। তাদের সবাই শিশু। তবে আগুনের উৎস সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি।

নাইজার শিক্ষক সমিতির এক কর্মকর্তা বলেন, স্কুলটি জনপ্রিয় পেইস বাস গ্রামের পাশেই। এতে প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থী ছিল। এটির প্রাক-প্রাথমিক শাখাও আছে।
‘স্কুলের ফটক থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। জরুরি বের হওয়ার কোনো সুযোগ না থাকায় বেশির ভাগ শিক্ষার্থী আটকা পড়েছিল। স্কুলের দেয়াল বেয়ে তাদের পালিয়ে বাঁচতে হয়েছে। যারা মারা গেছে, তাদের অধিকাংশই প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।’
আরেক কর্মকর্তা বলেন, ১২টি খড়ের তৈরি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীরা আটকা পড়েছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে টেলিভিশনে বলা হয়, স্থানীয় সময় বিকেল ৪টার দিকে আগুন লাগে। তখন শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ছিল। প্রধানমন্ত্রী উহোমৌদৌ মাহামাদু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে হতাহত শিশুদের পরিবারের প্রতি শোক প্রকাশ করেন। জাতিসংঘের ১৮৯টি দেশের মানব উন্নয়ন সূচকে নাইজার হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে দরিদ্র দেশ। দেশটিতে স্কুলে ক্লাসরুম হিসেবে হাজার হাজার খড়ের ঘর তৈরি করা হয়। অনেক স্থানে শিক্ষার্থীদের মাটিতে বসে ক্লাস করতে হয়।