রোজা রেখে ইফতার ওয়ার্নার, উইলিয়ামসনের!

আন্তর্জাতিক

পবিত্র রমজান মাস চলছে। রমজান মাসে এবার উপবাস রাখতে দেখা গেল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ দলের ক্যাপ্টেন ডেভিড ওয়ার্নার, কেন উইলিয়ামসনদের। রোজার পর নিয়ম মেনে ইফতার করতেও দেখা গেল তারকা ক্রিকেটারদের।

টানা তিন ম্যাচ হেরে আইপিএলের শুরুতেই বেকায়দায় হায়দরাবাদ। তবে হারেও দলের বন্ডিং নষ্ট হয়নি। পবিত্র রমজান মাসেই সানরাইজার্স হায়দরাবাদ দলে রশিদ খান, মুজিব উর রহমানসহ একাধিক ক্রিকেটার রোজা রাখছেন। আর রশিদ খানই সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, ডেভিড ওয়ার্নার, কেন উইলিয়ামসনরাও রোজা রেখেছেন তাদের সাথেই।

নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে রশিদ খান একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। যে ভিডিওতে রয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার, কেন উইলিয়ামসনরাও। রশিদ খান ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আজ দুই কিংবদন্তি আমাদের সাথেই উপবাস করেছিলেন।’

ভিডিওতে রশিদ খানকে দুই দলীয় সতীর্থকে জিজ্ঞাসা করতে শোনা যাচ্ছে, উপবাস করার অভিজ্ঞতা কেমন! ওয়ার্নার বলেন, ‘ভালো। তবে আমার ব্যাপক খিদে পেয়েছে। তেষ্টাও পেয়েছে। মুখ পুরো শুকনো হয়ে গিয়েছে।’ আইপিএলে এখনো নামেননি উইলিয়ামসন। তিনি রশিদ খানকে বলেছেন, ‘ভেরি গুড। ধন্যবাদ।’

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

আজীবন মুসলিম ভাইদেরকে সহযোগিতা করে যাবো: ইমরান খান

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, সম্পর্কগত দিক থেকে ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিকভাবে পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান একে অপরের সাথে অঙ্গাঅঙ্গীভাবে জড়িত। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের আফগান ভাই-বোনেরা শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরে পাবে না ততক্ষণ পর্যন্ত পাকিস্তানও প্রকৃত শান্তি ও নিরাপত্তা পেতে পারে না।

যা কিছুই হোক না কেনো! আমরা আমাদের আফগান ভাইদের সহযোগিতা করে যাবো। পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেছেন বলে খবরে বলা হয়েছে।

ইমরান খান বলেন, আফগানিস্তান এবং অন্যান্য অঞ্চলগুলোতে শান্তি ফিরিয়ে আনার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। কাতারে সম্পাদিত শান্তি চুক্তি এবং আফগান সরকার ও তালেবানের মাঝে বৈঠকের ফলে আফগান সংকট এখন সমাপ্তির পথে।

পাক প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, কোনো বহিরাগত শক্তি, জোরপূর্বক আফগানিস্তানের শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারবে না। শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন সেখানকার স্থানীয় নেতৃত্ব ও আফগান জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ।

আন্তঃ আফগান আলোচনার পরিধি আরো কঠিন হতে যাচ্ছে মন্তব্য করে ইমরান খান বলেন, শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে ছাড় দেওয়ার মনমানসিকতা নিয়ে অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে আমাদেরকে আন্তঃ আফগান আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে।

এমনকি আফগান শান্তি প্রক্রিয়া ধীর গতির হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সবার জন্য কষ্টসাধ্য ব্যাপারও হয়ে উঠতে পারে। যুদ্ধকে নিরুৎসাহিত করে তিনি বলেন, রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের চেয়েও শান্তি আলোচনার অচলাবস্থা শ্রেয়।

আফগান সরকার ও তালেবানের মাঝে দ্বন্দ্ব ও সংঘাতের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, দ্বন্দ্ব ও সংঘাতপূর্ণ পরিবেশে শান্তি আলোচনা কখনোই সম্ভব নয়। তাই উভয় পক্ষের উচিত এগুলো কমিয়ে আনা।

সর্বশেষ ইমরান খান বলেন, আফগান সরকার তালেবানের রাজনৈতিক বাস্তবতা বুঝতে সক্ষম হয়েছে। আমি আশাবাদী যে, তালেবানও আফগান সরকারের এই অগ্রগতিকে সাধুবাদ জানিয়ে সামনে এগিয়ে যাবে।