পানিতে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করা, সেই কয়রা আবার প্লাবিত

বিশেষ প্রতিবেদন

ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ভেঙে গেছে নদীর বাঁধ। তলিয়ে গেছে এলাকা। চারদিকে শুধু পানি আর পানি। এই পানির মধ্যেই দাঁড়িয়ে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করা খুলনার কয়রা উপজেলা ‘পুনঃরায় শনিবার আবার নদীর বাধ ভেঙ্গে তলিয়ে গেছে’। এখন পানি বেশি উঠছে বলে জানান এলাকাবাসী।

এলাকার লোকজন জানান, আম্পানের ফলে এ উপজেলার ৮০ ভাগ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। ঝড়ের তাণ্ডবে ১২১ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের ২১টি স্থানে ৪০ কিলোমিটারের বেশি অংশ ভেঙে গেছে। ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে খুলনার ৯টি উপজেলার ৮৩ হাজার ৫৬০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে কয়রা উপজেলার মানুষ। এ উপজেলার চারটি ইউনিয়ন বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল লোনা পানিতে প্লাবিত হয়েছে। বাঁধ ভেঙে ছোট-বড় ৫ হাজার মাছের ঘের ভেসে গেছে। অসহায় হয়ে পড়েছে প্রায় সাত লাখ মানুষ।

এলাকাবাসী দৈনিক জার্নালের এক সাংবাদিক’কে জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্পানের পর বাধ নির্মান হলে ও সেটা সামায়িক বাধ ছিল। কয়রার মানুষ মজবুত টেকসই বাধ চায়। এখন কয়রার মানুষ আর ত্রাণ চায় না, তারা চায় টেকসই ভেড়িবাধ। এটাই হলো কয়রার মানুষের প্রাণে দাবী।