নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন হোটেলে কুকুরের মাংস দিয়ে বিরিয়ানি রান্না করে খাওয়ানো হতো

বিশেষ প্রতিবেদন

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় হোটেলে কুকুরের মাংস সরবরাহের অভিযোগে দুই যুবককে মারধর করেছে স্থানীয়রা। শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত বারোটার সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার পাগলা বাজার এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার সময় এ দুই যুবকের কাছ থেকে ৫০ কেজি মাংস উদ্ধার করা হয়েছে।

বস্তাভর্তি মাংসকে কুকুরের বলে অভিযোগ তুলেছে স্থানীয়রা। তবে পুলিশ বলছে সেগুলো মহিষের মাংস। এ ঘটনায় পাগলা এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা ঘটনার কিছু ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দিলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হয়।

ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আশরাফুল জানান, শনিবার রাত বারোটার সময় দুই যুবক পাগলা বাজারের বিভিন্ন বিরিয়ানির দোকানে মাংস সরবরাহ করতে আসে। এ সময় স্থানীয়রা ওই মাংসকে কুকুরের মাংস বলে অ্যাখ্যা দেয় এবং সরবরাহকারী দুই যুবককে মারধর করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই দুই যুবককে থানায় নিয়ে আসে।

এস আই আশরাফুল বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে আমরা জানতে পারি ওই দুই যুবক ভারত থেকে আমদানিকৃত মহিষের মাংস হোটেলে সরবরাহ করে থাকে। আমরা তাদের কাগজপত্রসহ মাংসগুলো চেক করে বিষয়টির সত্যতা পেয়েছি।

এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন বলেন, ওই দুই যুবক আমদানি করা মহিষের মাংস বিভিন্ন বিরিয়ানির দোকানে সরবরাহ করে। এলাকাবাসী যখন জানতে পারে মাংসগুলো ভারত থেকে আসে। তখন তারা প্রথমে বলে যে, ভারতের ওরা হিন্দু। ওরা জবাই করে না তাই এ মাংস খাওয়া যাবে না। তবে মারধরের শিকার ওই দুই যুবক লিখিত কোন অভিযোগ করেনি।